'সোঁদামাটি' সাহিত্য পত্রিকা ও 'ঐতিহাসিক মুর্শিদাবাদ' ফেসবুক গ্রুপের যৌথ উদ্যোগে এই ওয়েবসাইট।

দাদপুর, নবাবী চটী ও নীলকুঠী‬



বেলডাঙ্গা হতে প্রায় ৬ কিমি দক্ষিনে ৩৪নং জাতীয় সড়কের পাশে দাদপুর গ্রাম। মুর্শিদাবাদের নবাবী ও ইংরেজ ইতিহাসের অনেক কিছু সাক্ষী এই গ্রাম। দাদপুরে নবাবী এক প্রসিদ্ধ চটী ছিল। এখানে নবাবের অনেক লোকজন বাস করত। নবাবের একটি নিজ বাসস্থান ছিল, তাকে নবাববাটী বলতো। নবাবদের হাতি, ঘোড়া প্রভৃতি আবাসস্থানের জন্য ফিলখানাও এখানে ছিল। বর্তমানে এগুলি সবই ভাগিরথীর ও দাদপুর বাঁওড়ের জলে। পলাশী যুদ্ধের আগে নবাব সিরাজউদ্দৌল্লা এখানে শিবির করেছিলেন।

আবার ক্লাইভ যুদ্ধের দিন রাত্রিতে দাদপুরে শিবির করে ছিলেন। পরবর্তিতে ক্লাইভের শিবিরের কিছুটা পশ্চিমে ইংরেজরা নীলকুঠী তৈরি করেছিল। বর্তমানে নীলকুঠীর সামনে বাদশাহী সড়কের পূর্বপাশে ক্লাইভ ওই শিবির করেছিলেন। নীলকুঠীর পাশে পলাশী যুদ্ধে হত ইংরেজদের অনেকগুলি কবর ছিল। তার শেষ কবরটা ১৯৯০ সালের দিকে কিছু দুষ্কৃতি সোনার প্রদীপ আছে বলে রাতে ভেঙে দেখে। এই কবরটি ছিল ম্যাডি সাহেব নামে তার এক অধ্যক্ষের কবর। স্থানীয় লোকে তাকে মতি সাহেব বলতো। বর্তমানে নীলকুঠীর কিছুটা ভাঙা দেওয়ালের চিহ্ন এখনও দাঁড়িয়ে আছে।




শেয়ার করুন

No comments:

Post a Comment